শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়ে মাহদী হাসান ওসির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তিনি নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা দাবি করে বিভিন্ন সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হুমকিমূলক বক্তব্য দেন। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনার পর শনিবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি মাহদী হাসানকে পাঠানো হয়। সংগঠনটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও প্রকাশ করা হয় চিঠিটি।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শায়েস্তাগঞ্জ থানায় প্রদত্ত মাহদী হাসানের বক্তব্য সংগঠনের আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। কেন তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাকে সংগঠনের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, থানার ভেতরে হুমকিমূলক আচরণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগে মাহদী হাসানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।