শনিবার (৯ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় শুরু হওয়া শপথ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন যোগী আদিত্যনাথ, চন্দ্রবাবু নাইডু, দেবেন্দ্র ফডনবীশ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, মানিক সাহা ও পুষ্কর সিং ধামি।
রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে শপথ মঞ্চে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। নতুন মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক ও ক্ষুদিরাম টুডু।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে সরকার গঠন করে বিজেপি। এর মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর স্থলাভিষিক্ত হলেন এক সময়ের তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী শুভেন্দু অধিকারী।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বিজেপির ২০৭ জন নবনির্বাচিত বিধায়কের সমর্থনপত্র জমা দেন। একই দিন কলকাতার নিউ টাউনে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।