শুক্রবার (১৫ মে) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।
চিকিৎসক জানান, সায়মার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এর আগে তার স্বামী মো. কালাম (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে কথা (১০) ও মুন্নি (৭) মারা যান।
দগ্ধদের মধ্যে কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, কথার ৫২ শতাংশ এবং মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
এর আগে, গত রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার মো. শাহজাহান মিয়ার মালিকানাধীন নয়তলা ভবনের নিচতলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য দগ্ধ হন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বদ্ধ কক্ষে গ্যাস জমে ছিল। পরে ভাড়াটিয়া কালাম লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরাতে গেলে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে।