এরপর বাড়িতে গিয়ে স্বজনরা দেখতে পান বিভীষিকাময় দৃশ্য। ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল তিন শিশুর মরদেহ, জানালার গ্রিলে ঝুলছিল শারমিনের নিথর দেহ, আর বিছানায় পড়ে ছিলেন রসুল মিয়া। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, পায়েশ ও কোমল পানীয়ের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া উদ্ধার হওয়া কিছু প্রিন্ট কপিতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পরকীয়ার অভিযোগের তথ্য পেয়েছে তদন্তকারীরা।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যার রোমহর্ষক ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে নতুন তথ্য। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত ফুরকান মিয়া নিজেই স্বজনদের ফোন করে পাঁচজনকে হত্যার কথা জানিয়ে পালিয়ে যান। ভয়াবহ এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও আতঙ্কের ছায়া।
শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ঘটে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড। শনিবার (৯ মে) সকালে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
নিহতরা হলেন: অভিযুক্ত ফুরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।
স্বজনদের দাবি, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফুরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে বলেন, 'আমি পাঁচজনকেই শেষ করেছি, এখন পালিয়ে যাচ্ছি।'
এরপর বাড়িতে গিয়ে স্বজনরা দেখতে পান বিভীষিকাময় দৃশ্য। ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল তিন শিশুর মরদেহ, জানালার গ্রিলে ঝুলছিল শারমিনের নিথর দেহ, আর বিছানায় পড়ে ছিলেন রসুল মিয়া।
ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, পায়েশ ও কোমল পানীয়ের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া উদ্ধার হওয়া কিছু প্রিন্ট কপিতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পরকীয়ার অভিযোগের তথ্য পেয়েছে তদন্তকারীরা।
পুলিশ বলছে, পারিবারিক কলহ থেকেই এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত ফুরকান মিয়া। ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে পিবিআইসহ একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।