পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে উর্মি তার স্বামী ও দুই সন্তান—দেড় বছরের ফারদিন ও চার বছরের ফারিস্তা—কে নিয়ে ওই এলাকার আমিরুল ইসলামের পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া ওঠেন। প্রতিবেশীদের দাবি, পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো।
ঘটনার রাতে শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উর্মির স্বামী বাপ্পী কলাপাড়া থানায় ফোন করে জানান, তার স্ত্রী ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আলামত সংগ্রহ করে ঘরটি সংরক্ষণ করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অপেক্ষা করা হচ্ছে।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এর ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর মানসিক সহায়তার জন্য নিহতের স্বামী ও দুই শিশু সন্তানকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'