‘মা-বোনদের উদ্দেশে বলছি, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামের ছাত্রীসংস্থার কোনো কর্মী বাসায় গেলে ৯৯৯-এ কল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন—যাতে তারা আর বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পায়।’—এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের আব্দুস সামাদ ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে নতুন ভোটারদের উদ্দেশে পাপিয়া বলেন, ‘আবু সাইদ ও মুগ্ধদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সে জন্য কোনো তথাকথিত “পিকনিক পার্টির” ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। এ ধরনের অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে।’
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দয়ায় রাজনীতিতে টিকে ছিল। এখন তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার স্বপ্ন দেখছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে তাদের অবস্থান দ্বিতীয় বা তৃতীয় হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
এ সময় পাপিয়া অভিযোগ করেন, জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্যরা এলাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কাজ করেননি। তিনি উপস্থিত ভোটারদের প্রতি তাঁর স্বামী ও চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. হারুনুর রশীদ। এ ছাড়া বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।