বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানী তেহরানে আয়োজিত এই জানাজায় শ্রীলঙ্কায় নিহত হওয়া নৌবাহিনীর সদস্যদেরও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানানো হয়।
দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানা গেছে, জানাজায় সরকারি কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নিয়ে নিহতদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ মার্চ তেহরানে ইসরাইলি বিমান হামলায় আলী লারিজানি তার ছেলেসহ নিহত হন। একই ধরনের আরেকটি হামলায় বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলাম রেজা সোলেইমানিও নিহত হন।
আর আগে ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার উপকূলে মার্কিন নৌবাহিনীর টর্পেডো হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের ডেনা ডেস্ট্রয়ারের নিহত নাবিকেদের জানাজাও এই অনুষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে বলে দাবি করা হয়।
এই অভিযানে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হেনেছে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ, আলজাজিরা