চিকিৎসকরা জানান, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই রেশমির মস্তিষ্ক প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। ফলে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে রৌফাবাদ বিহারী কলোনিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হয় রেশমি। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবচেয়ে ছোট। সে স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার রাতে মায়ের জন্য পান কিনতে দোকানে যাওয়ার পথে হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হয় শিশুটি।
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা শিশু রেশমি হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।