আহতদের মধ্যে চারজন বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের এবং বাকি চারজন জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে যুক্ত। আহতরা হলেন শাহেদুল আলম, মো. ইমন, মো. মনজুর, মোহাম্মদ ফারুক, মোহাম্মদ এনাম, সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও মোহাম্মদ আবির। শাহেদুল আলমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে জামায়াতকর্মী সালাহউদ্দিনের দোকানে চা খেতে গেলে রাজনৈতিক আলোচনা নিয়ে বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনজুর, যুবদলের কর্মী মো. ইমন ও মোহাম্মদ ফারুকের সঙ্গে দোকানি সালাহউদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয় এবং তা খবর পেয়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসেন, যার ফলে সংঘর্ষ বাধে।
জামায়াতে ইসলামীর কর্ণফুলী উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মো. আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় আমাদের চার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আমাদের চারজন আহত হয়েছেন।’
কর্ণফুলী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসপি) মো. জামাল উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঘটনার পর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফাজিলখাঁর হাটে মিছিল করেন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।