প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কম্পন অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে দৌড়াতে থাকেন। সিলিং থেকে প্লাস্টার খসে পড়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঘিরে ফেলে এবং ওই এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যাত্রী চলাচল সীমিত করা হয়।
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ বলেন, 'ডিপারচার ড্রাইভওয়ের সিলিংয়ের কিছুটা প্লাস্টার পড়েছে। তবে রানওয়ে, অ্যাপ্রোন বা টার্মিনালের ভিতরে কোনো ক্ষতি হয়নি। সব ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে।'
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কাঠামোগত নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পরিদর্শন শুরু করেছে। তারা ফাটলের গভীরতা, বিস্তার ও ঝুঁকি মূল্যায়ন করছেন। বুয়েটের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় মেরামত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ মার্চ ও ২৮ মে মাসেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি ধরনের দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল।