ময়মনসিংহের ভালুকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে একটি কেন্দ্রে কয়েক তরুণের ব্যালট পেপারে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটার পর কয়েকজন তরুণ কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন একটি বুথে ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারতে শুরু করেন। সে সময় বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন তরুণ ব্যালট পেপারে সিল মারছেন। অন্য তিনজন সেগুলো ভাঁজ করে ব্যালট বাক্সে ফেলছেন। ঘটনাস্থলে আরও কয়েকজনকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসে। প্রায় আধা ঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, উপজেলা পরিষদের কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনা দেখার পর পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁর পরিবর্তে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবু হেনাকে দায়িত্ব দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়।
ইউএনও আরও বলেন, অভিযুক্ত তরুণরা সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০টি ব্যালটে সিল মেরে থাকতে পারেন। তবে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর ছাড়া কোনো ব্যালট বৈধ নয়। তাই ওই ব্যালটগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
তিনি দাবি করেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ভোটারদের পুনরায় কেন্দ্রে এনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটার পর কয়েকজন তরুণ কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন একটি বুথে ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারতে শুরু করেন। সে সময় বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন তরুণ ব্যালট পেপারে সিল মারছেন। অন্য তিনজন সেগুলো ভাঁজ করে ব্যালট বাক্সে ফেলছেন। ঘটনাস্থলে আরও কয়েকজনকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসে। প্রায় আধা ঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, উপজেলা পরিষদের কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনা দেখার পর পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁর পরিবর্তে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবু হেনাকে দায়িত্ব দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়।
ইউএনও আরও বলেন, অভিযুক্ত তরুণরা সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০টি ব্যালটে সিল মেরে থাকতে পারেন। তবে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর ছাড়া কোনো ব্যালট বৈধ নয়। তাই ওই ব্যালটগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
তিনি দাবি করেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ভোটারদের পুনরায় কেন্দ্রে এনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়েছে।