জানা যায়, এ বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে আনন্দ টেলিভিশনের সাংবাদিক তানভীর ইউ আহমেদকে আগের দিন ভিন্নভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন তিনি।
পরে সাংবাদিক সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখেন, প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে তার দেওয়া বক্তব্যের মিল নেই এবং বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে পুনরায় জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মনির হোসেন দাবি করেন, তিনি এমন কোনো আচরণ করতে পারেন না।
তবে সাংবাদিক আগের দিনের বক্তব্য ও নথিপত্রের অসঙ্গতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে আচরণবহির্ভূত বলে উল্লেখ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের বরাদ্দকৃত অর্থ নিয়ে নানা অনিয়মের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পরামর্শ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আনন্দ টেলিভিশনের সাংবাদিক তানভীর ইউ আহমেদ জানান, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের বরাদ্দ সংক্রান্ত বিষয়ে মনির হোসেন আগের দিন ভিন্নভাবে তথ্য দেন। পরে নথিপত্র যাচাই করে দেখা যায়, তার বক্তব্যের সঙ্গে প্রকৃত তথ্যের মিল নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এসব বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিনের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।