সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, হামলায় একাধিক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে কিছু এলাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।
তেহরানের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরান' এ হামলার পর এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
ডব্লিউএইচও জানায়, দেলারাম সিনা মানসিক হাসপাতাল এবং তোফিঘ দারু ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানাও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও এসব স্থানে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
খুজেস্তান প্রদেশে ইমাম আলি হাসপাতালের কাছাকাছি বিস্ফোরণের পর হাসপাতালটি খালি করে দিতে হয়, বন্ধ হয়ে যায় চিকিৎসাসেবা।
ডব্লিউএইচও প্রধান জানান, ১ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত এসব হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একজন সদস্য রয়েছেন।
এদিকে, শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি লেজার ও প্লাজমা গবেষণা কেন্দ্রেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তাদের একটি গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে ত্রাণবাহী যানবাহন ও জরুরি সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে।
মানবিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলছে, চলমান সংঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তারা জোর দিয়ে বলছে, অ্যাম্বুলেন্স, ত্রাণসামগ্রী এবং স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনাগুলোকে অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো সুরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত এবং এসব স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
সূত্র: আল জাজিরা