ইরানে কঠোর হামলা চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩০
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান নিয়ে নিজেদের অবস্থান বদলেছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো। শুরুতে সরাসরি কোনো আহ্বান না জানালেও এখন তারা ওয়াশিংটনকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধ না করার অনুরোধ জানাচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক হামলা শুরু করে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পর্যন্ত টানা ১৮ দিন ধরে এই সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক দেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করছে যাতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া হয়। তাদের আশঙ্কা, ইরান যদি তার সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারে, তবে তা উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠবে।

তিনটি উপসাগরীয় সূত্র জানিয়েছে, এসব দেশের মূল উদ্বেগ হলো—ইরান যেন ভবিষ্যতে তেল সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট ও এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে জিম্মি করতে না পারে। একইসঙ্গে পাঁচজন পশ্চিমা ও আরব কূটনীতিক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় দেশগুলোকে সরাসরি এই যুদ্ধে যুক্ত হওয়ার জন্যও চাপ দিচ্ছে।

সূত্রগুলোর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের পক্ষে আঞ্চলিক সমর্থন দেখাতে চান, যাতে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণভাবে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।

সৌদি আরবভিত্তিক গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আব্দুলআজিজ সাগের বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে এখন এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর সব ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে।

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। শুরুতে তারা কেবল মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করলেও পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রধান বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও পরিবহন অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে উপসাগরীয় ছয়টি দেশে হামলা চালিয়েছে, যা ওই অঞ্চলের দেশগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। তাদের আশঙ্কা, ইরান যদি শক্তিশালী আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ধরে রাখে, তবে যেকোনো উত্তেজনায় তা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে আরব দেশগুলোর নতুন অবস্থান হলো—ইরানের সামরিক শক্তিকে এমনভাবে দুর্বল করে দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে তারা আর আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে না পারে।

উপসাগরীয় একটি সূত্রের ভাষ্য, আরব নেতাদের মধ্যে এখন একটি বিষয় স্পষ্ট—ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে না দিলে তারা পুরো অঞ্চলকে জিম্মি করে রাখবে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সদ্য. প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ.লীগ ও যুবলীগপন্থী কর্মকর্তারা সদ্য. সাইবার হামলার আশঙ্কা, সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভারের কার্যক্রম সদ্য. স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪৬ সদ্য. বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় কারাগারে সাবেক ওসি ও এসআই সদ্য. হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ সদ্য. ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা সদ্য. শাহজালাল বিমানবন্দরে প্যান্ট-অন্তর্বাস থেকে ২৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার সদ্য. শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং সদ্য. গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সদ্য. প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ.লীগ ও যুবলীগপন্থী কর্মকর্তারা সদ্য. সাইবার হামলার আশঙ্কা, সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভারের কার্যক্রম সদ্য. স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪৬ সদ্য. বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় কারাগারে সাবেক ওসি ও এসআই সদ্য. হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ সদ্য. ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা সদ্য. শাহজালাল বিমানবন্দরে প্যান্ট-অন্তর্বাস থেকে ২৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার সদ্য. শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং