নিহত মোমেনা বেগম ওই এলাকার ব্যবসায়ী বিল্লাল খাঁনের স্ত্রী। বিল্লাল খাঁন স্থানীয় ইউপি সদস্য খাঁন জাহিদ হাসানের আপন ভাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মানসা বাজারে অবস্থিত নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়িতে ফেরেন বিল্লাল খাঁন। ঘরে ঢুকে তিনি স্ত্রী মোমেনা বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরে থাকা কিছু নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়নি।
ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই ওহিদুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল করা হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের মুখে ও কানের নিচে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রথমে কিল-ঘুষি মারার পর ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
নিহতের স্বামী বিল্লাল খাঁন অভিযোগ করে বলেন, 'আমি বাড়ি ফিরে দেখি আমার স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর ঘরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে।'
ফকিরহাট মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।