মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের বরাতে জানা যায়, আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আরিয়ে লাইটস্টোন। অন্যদিকে হামাসের পক্ষ থেকে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেন খলিল আল-হাইয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপ গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমঝোতার পথে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
বৈঠকে মূলত যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন, গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধ, মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং অবরোধ শিথিল করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে এসব শর্ত পূরণ না হলে পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয় বলে হামাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অবস্থান জানানো হয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টিকে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তবে হামাস এ প্রস্তাবকে ‘অসম ভারসাম্যপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং গাজায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে।
উল্লেখ্য, কাগজে-কলমে গত অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি চললেও গাজায় সংঘাত পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি চলাকালেও ইসরায়েলি হামলায় বহু ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
এদিকে গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাহিনীর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে এখনো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে বলে জানা গেছে।