মোশাররফ হোসেন অভিযোগ করেন, সোমবার রাতে নন্দীগ্রামের পানশুন এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোটারদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণের জন্য একটি বাড়িতে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা সেখানে যান। পরে শালথা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বেলাল হোসেন ও জামায়াতের একজনকে আটক করে পুলিশকে জানানো হয়।
তিনি বলেন, 'পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আরও কিছু জামায়াত নেতাকর্মী এবং অন্য প্রার্থীর সমর্থকরা সেখানে গিয়ে হামলা চালায়। এসময় মাসুদ রানা ও অন্য কয়েকজন মারধরের শিকার হন। এতে, মাসুদ রানার ডান চোখ উপড়ে ফেলা হয় এবং আটককৃতদের ছিনিয়ে নেয়া হয়। কিছু বাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরে আহতদের পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়।'
অন্যদিকে, বগুড়া-৪ আসনের জামায়াত প্রার্থী ড. মুস্তফা ফয়সাল পারভেজ মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'হামলার সঙ্গে জামায়াতের কেউ জড়িত নয়। উল্টো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ রয়েছে।'
এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানার মা মাজেদা বেগম, ছেলে আহত হওয়ার খবর শুনে স্ট্রোক করে মারা গেছেন।